আলহামদুলিল্লা শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে ওমরাহ!-01

আলহামদুলিল্লা শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে ওমরাহ!

আলহামদুলিল্লা শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে ওমরাহ!, সফলভাবে হজ পরিচালনার পর শিগগিরই ওমরাহ প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। হজ ও ওমরাহ উপমন্ত্রী ড. হুসেইন আল-শরিফ সৌদি গেজেটকে এ তথ্য জানিয়েছেন।



সৌদি গেজেট/ওকাজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. হুসেইন আল-শরিফ জানান, শিগগিরই আসন্ন ওমরাহ মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করবে সৌদি আরব।



 

মন্ত্রণালয় সম্প্রতি শেষ হওয়া সফল হজ আয়োজনের মূল্যয়ন ও পর্যালোচনা শুরু করবে। করোনা পরিস্থিতিতে উচ্চ মানের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে যেভাবে হজ আয়োজন করেছে ওমরাহর জন্য তাও ভেবে দেখা হবে।

হজ ও ওমরাহ উপমন্ত্রী আরও জানান হজ শেষ হয়েছে। ন্যূনতম ৭ দিন কোয়ারেন্টাইন করে যার যার গন্তব্যে ফিরে যাবে হজে অংশগ্রহণকারীরা। যারা বিমানে যাবে তাদের বিমান বন্দরে পৌছে দেয়া হবে। আর যারা সড়ক পথে যাবে তাদের গন্তব্যে পৌছার ব্যবস্থাও করবে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

 

==পানি কমছে, কষ্ট কমে নাই==



 

ঘর’বাড়ি, ফসলের খেতের ব্যাপক ক্ষতি করে বন্যার পানি নামছে। কিন্তু কর্মহীনতা আর খাবার কষ্ট এখনো রয়েই গেছে বলে জানালেন প্রা’ন্তিক কৃষক আলমাছ আলী (৬০)।
শেরপুর সদর উপজেলার বলাইয়েরচর ইউনিয়নের ছোট ঝাউয়েরচর গ্রামের আলমাছ আলী গতকাল শুক্রবার এসেছিলেন প্রথম আলো ট্রাস্টে’র পক্ষ থেকে দেওয়া ত্রাণ ‘নিতে। ত্রাণ পেয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ব’ছরই বইন্যা হয়। তয় এইবার ঘরে আছিল তিন সপ্তা। অহন পানি কমছে, কিন্তু কষ্ট কমে নাই। এই ‘বিশাল বইন্যার মইদ্দে কেউ আমগর খোঁজ নেয় নাই। অনেক কষ্ট কইরা খায়া-না খায়া দি’ন পার করছি।’
বলাই’য়েরচর ইউনিয়নের জঙ্গলদী, নয়াপাড়া, মধ্যপাড়া ও লছমনপুর ইউনিয়নের ছোট ঝাউয়েরচর ‘গ্রামের বন্যাকবলিত ১০০ মানুষের মধ্যে গতকাল ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এসব ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আ’লু, লবণ ও সয়াবিন তেল।’ শেরপুরের প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্যরা জঙ্গলদী বড় বাজার এলাকার দি ম’ডার্ন পাবলিক স্কুল মাঠে ও ছোট ঝা’উয়েরচর গ্রামের একটি খোলা স্থানে এসব ত্রাণ বিতরণ করেন। ‘ত্রাণ বিতরণে অংশে নেন কলেজশিক্ষক ও সমাজকর্মী মলয় চাকী, শেরপুর বন্ধুসভার সভা’পতি মাশুকুর রহমান, সহসভাপতি মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পা’দক রবিন সাহা প্র’মুখ।
ব’লাইয়েরচর ইউনিয়নের ছোট ঝাউয়েরচর গ্রামে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ৪-৫টি পরিবার বাস করে। ‘তাঁদে’র সবাই শ্রমজীবী।’ তাঁদের একজন বিনেন্দ্র হাজং। তিনি বলেন,’ ‘বন্যায় খেতখামার সব ‘তলাইয়া গেছে। অহন কোনো কাজকাম নাই। হাতে টাকাপয়সা’ নাই। আমগরে কেউ কোনো সাহায্যও দেয় নাই। আপনারাই প্রথম সাহায্য দিলেন।’
জঙ্গলদী পূর্বপাড়া গ্রামে’র ৭০ বছরের জরিতন ‘বেওয়ার স্বামী নেই। ছেলেমেয়েদেরও পৃথক সং’সার। করোনা সংকটে গ্রামের লোকজনের কাছে চেয়েচিন্তেই এত দিন কোনো রকমে পেট চালি’য়েছেন জরিতন বেওয়া। ত্রাণ পেয়ে ‘এই বৃদ্ধা বলেন, ‘আপনেগ’রে রিলিপ (ত্রাণ) দিয়া আ’ইজ চাইড্যা ভাল মতন খামু।’
অনুদান ,বন্যায়ক্ষতিগ্রস্তদে’র জন্য প্রথম আ’লো ট্রাস্টের ত্রাণ তহবিলে সব মিলি’য়ে এ পর্যন্ত জমা পড়েছে ২০’ লাখ ৪৫ হাজা’র টাকা। প্রথম আলো ট্রা’স্টের পক্ষ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার ৮০০টি পরিবারকে ত্রাণস’হায়তা দেওয়া হয়েছে। খরচ হয়েছে ১৬ লাখ ৪৬ হাজার ‘টাকা।’
অনুদানদাতাদের মধ্যে দিলরুবা হোসেন ১ লাখ টাকা, মেজবা’উল ইসলাম ২০ হাজার, ‘আবদুল করিম ১৫ হাজার, হাসিনা ‘খাতুন ১০ হাজার, জেসমি’ন আরা ১০ হাজার, রানা মোরসালিন ৮ হাজার টাকা দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *