কনেকে পড়িয়ে গিয়েছিলেন আংটি-01

কনেকে পড়িয়ে গিয়েছিলেন আংটি, লেবাননের বিস্ফোরণে সেই স্বপ্ন আর আলোর মুখ দেখলো না

#কনেকে পড়িয়ে গিয়েছিলেন আংটি, লেবাননের বি’স্ফোরণে সেই স্বপ্ন আর আলোর মুখ দেখলো না, 

#বাড়ি ফি’রেই বিয়ে করার কথা ছিল প্রবাসী রেজাউল আমিন শিকদারের। কিন্তু লেবাননের বৈরুতে ভয়াবহ #রাসায়নিক বি’স্ফো’রণে সেই স্বপ্ন আর আলো’র মুখ দেখলো না। একটি বি’স্ফোরণে সঙ্গে সঙ্গে তছ’ছ হয়ে গেলো একটি জীবন, একটি পরিবারের স্বপ্ন। পরিবারটিতে এখন শুধুই শো’কের মাতম। লেবাননে’ ঘটে যাওয়া বি’স্ফোরণে #নিহত হন রেজাউল।
তিনি কুমি’ল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের মণির শিকদারে ছেলে।পরিবারের লোক’জন ও স্থানীয়রা জানান, রেজাউল ২০১১ সালে লেবাননে যান। তিনি ওই দেশের বৈরুতের বন্দর সংলগ্ন ডাউ’নটাউন এলাকার আলভোর শহরে’র একটি পেট্রোল পাম্পে কাজ করতেন। প্রায় চার বছর আগে বৈরুতে নিয়ে যান তার ছোট ভাই মাহবুব শিকদারকে’ও। মাহাবুব আলাইয়া এ’লাকায় থেকে পেট্রোল পা’ম্পে চাকরি করেন।
বৈরু’তে রেজাউলের এক মামা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার রাজিসার গ্রামের জসিম উদ্দিনও ‘থাকেন। জসিম উদ্দিন বুধবার দিন গত গভীর রাত ১২টার দিকে বৈরুত থেকে পরিবারের নিকট ফোন ক’রে রেজাউলের #মৃত্যুর বিষয়টি’ জানান।কৃষক পরিবারের সন্তান রেজাউল দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে উ’পার্জিত অর্থ দিয়ে বাড়িতে পাকা ঘর তৈরি করেন এবং’ দুই বোন তিশা আক্তার’ও লিমা আক্তারকে বিয়ে’ দেন।রেজাউলের চাচাতো ভাই সেলিম #শিকদার জানান,
গত ‘ফেব্রুয়ারি মাসে কসবা উপজেলার বাদুর গ্রামে তার বিয়ের কথা চূড়ান্ত হয়। রেজাউলের অনুপ’স্থিতিতে #সামাজিকভাবে মেয়েকে আংটি পড়ানো হয়। আর এক মাস পর রেজাউল দেশে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করার কথা ছি’ল। কিন্তু ভয়াবহ বি’স্ফো’রণে সবকিছু তছনছ হয়ে গেলো’।
আরও পড়ুন: ‘কয়েল’ ছাড়াই ‘মশা’ তাড়ানোর নতুন উপায় ‘আবিষ্কার’ – আজই বিস্তারিত জেনে নিন

 

নিহত রেজাউলের বাবা মনির শিকদার ছেলের লাশ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন।

One Ping

  1. Pingback: ভারত-থেকে 'মুসলমানের'-নাম নিশানা মুছে ফেলতে চাইছে মোদি-সরকার- মুফতী ফয়জুল করীম - Ashik360

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *