ঢাকা=সিলেটগামী চলন্ত ট্রেনে 'আ'গুন'

ঢাকা=সিলেটগামী চলন্ত ট্রেনে ‘আ’গুন’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লেগেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের তালশহর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

ট্রেনে যাত্রীসেবার দায়িত্বরত মুন্না বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি তালশহর রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর ‘ট’ ও ‘ঠ’ বগির সংযোগস্থলে আগুন লাগে।
এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই ট্রেনে থাকা সিলিন্ডার দিয়ে নেভানো হয়।

আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাকিউল আজম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেনারেটরের ক্যাবলে ত্রুটির কারণে দুই বগির সংযোগস্থলের রাবারে আগুন লাগে। পরে রেলের গার্ড এবং পুলিশ সম্মিলিতভাবে আগুন নেভায়। পরে ট্রেনটি আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনে থামার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেন, আমার স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর করোনায় তার মৃত্যু হয়।

সেখানে ওই আত্মীয় (নারী) এবং আমার স্ত্রী মাস্ক ছাড়া ছিলেন। একে-অপরের সঙ্গে মাস্ক ছাড়া মিশেছেন। মূলত ওই আত্মীয়ের কাছ থেকে আমার স্ত্রী সংক্রমিত হন। আমার স্ত্রী মারা গেলেও ওই আত্মীয় এখন সুস্থ।

এখন আমার কাছে বার বার মনে হয় মাস্ক পরিহিত থাকলে আমার স্ত্রীকে হারাতে হতো না। আমরা মানুষকে সচেতন করছি। কোনো অবস্থায়ই মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না। মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য সচিব।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘরের বাইরে ও অফিস-আদালতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ এ ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা পালন করবে।

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কটের সমাধান করা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেন, এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করছে। গত তিন মাসে ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ পেয়েছেন। মাঠপর্যায়ে পদায়নে কিছু বৈষম্য রয়েছে বলেই চিকিৎসক সঙ্কট আছে। জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে যেন হয়রানির শিকার না হন, বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সাজনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *